
সিরাজগঞ্জ কাজিপুরে বিএনপি সমর্থকের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে
সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলায় জমি নিয়ে ভাইদের মধ্যে বিরোধকে কেন্দ্র করে মারধর ও হামলার অভিযোগ উঠেছে চালিতাডাঙ্গা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ শহিদুল ইসলাম ও তার ছেলে জিহাদের বিরুদ্ধে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চালিতাডাঙ্গা ইউনিয়নের শিমুলদাইড় গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে কোব্বাত আলী,আব্দুল মান্নান, আব্দুল হান্নানের ক্রয়কৃত জমি তাদের আরেক ভাই মোমিন জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করলে ভাইদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এই বিরোধকে কেন্দ্র করে তৃতীয় পক্ষ হিসেবে শহিদুল মেম্বার ও তার ছেলে হামলা চালান বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
হামলার শিকার আব্দুল খালেক (পিতা: জেল হোসেন) জানান, গত রবিবার জমি নিয়ে বিরোধের সময় তিনি উভয় পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেন এবং বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেন। পরদিন শিমুলদাইড় বাজারে রফিকুল ইসলামের কাপড়ের দোকানে বসে থাকা অবস্থায় শহিদুল মেম্বার ও তার ছেলে জিহাদ হঠাৎ এসে এসএস পাইপ ও বাটাম দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চান
প্রত্যক্ষদর্শী জানান, রফিকুল ইসলাম তার দোকানে বসা ছিলেন, এমন সময় শহিদুল মেম্বার ও তার ছেলে এসে আকস্মিকভাবে হামলা চালান।
আরেক প্রত্যক্ষদর্শী কাজিপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বেলাল বলেন, তারা এসএস পাইপ হাতে দোকানে ঢুকে হামলা শুরু করেন, যা দেখে তিনি হতভম্ব হয়ে পড়েন।
অভিযোগের বিষয়ে শহিদুল মেম্বারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,
আমাদের গ্রামের রশিদ মাষ্টারের চার ছেলে তিন নং ছেলে শ্যামপুর এলাকার একজনের কাছ থেকে ১০ শতক জমি ক্রয় করে, তারপর জমিতে বালু ফেলায়, তার ছোট ভাই মোমিন ওনি বিএনপি করে তিনি গায়ের জোরে সেই জমিতে বেড়া দেয়,পরে জমির মালিক আমাকে জানান যে আপনি তো আমাদের মেম্বার আপনি আমাদের বিষয়টি মিমাংসা করে দেন, আর সেই কারনে
আমি আব্দুল খালেককে বলেছি যে এই খালেক তুই ওখানে মাটি কাটা বন্ধ করার কে, আর এনিয়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।
তবে জমির সম্পর্কে ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম কে কোন অভিযোগই করেননি জমির মালিক। অভিযোগ না পেয়েও এমন আচরনে জনমনে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে যে শহিদুল ইসলাম দাম্ভিকতা দেখাচ্ছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কাজিপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
কাজিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ এনায়েতুর রহমান জানান, অভিযোগটি পাওয়া গেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Leave a Reply